Express Train

পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়ার তালিকা ২০২৬

আপনি কি ঢাকা থেকে সমুদ্রের শহর কক্সবাজার যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন? যদি আপনার উত্তর হ্যাঁ হয়, তবে নিশ্চিন্তে বলা যায় আপনি পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়ার তালিকা খুঁজছেন। বর্তমান সময়ে ঢাকা থেকে কক্সবাজার যাওয়ার জন্য আকাশপথের পরেই রেলপথ সবচেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যম হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে যারা জ্যামমুক্ত এবং আরামদায়ক ভ্রমণ পছন্দ করেন, তাদের জন্য বাংলাদেশ রেলওয়ের নতুন সংযোজন ‘পর্যটক এক্সপ্রেস’ একটি আশীর্বাদ। এই আর্টিকেলে আমরা পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেনের সম্পর্কে খুঁটিনাটি সব তথ্য আলোচনা করব। ট্রেনের সময়সূচী, টিকিটের মূল্য, বিরতি স্টেশন এবং অনলাইনে টিকিট কাটার নিয়মসহ প্রয়োজনীয় সকল তথ্য এখানে পাবেন।

পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেন কেন সেরা?

একটা সময় ছিল যখন ঢাকা থেকে কক্সবাজার যেতে বাসের বিকল্প কিছু ছিল না। ঘণ্টার পর ঘণ্টা জ্যাম, ফেরি পারাপারের ঝামেলা (যদিও এখন সেতু হয়েছে), এবং দীর্ঘ সময়ের ক্লান্তি সব মিলিয়ে ভ্রমণের শুরুটাই হতো বিরক্তি দিয়ে। কিন্তু এখন দিন বদলেছে। কক্সবাজার রুটে ট্রেন চালু হওয়ার পর থেকে ভ্রমণপিপাসুদের প্রথম পছন্দ এখন ট্রেন।

পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেন বেছে নেওয়ার প্রধান কয়েকটি কারণ হলো:

  • নিরাপদ ভ্রমণ: সড়কপথের তুলনায় রেলপথ সবসময়ই অধিক নিরাপদ।
  • সময় সাশ্রয়: বাসে জ্যামের কারণে যেখানে ১০-১২ ঘণ্টা বা তারও বেশি সময় লাগে, সেখানে পর্যটক এক্সপ্রেস নির্দিষ্ট সময়ে গন্তব্যে পৌঁছায়।
  • আরামদায়ক সিট: এই ট্রেনের সিটগুলো বেশ প্রশস্ত এবং আরামদায়ক। বিশেষ করে Snigdha শ্রেণির এসি সিটগুলো ভ্রমণের ক্লান্তি দূর করে দেয়।
  • আধুনিক টয়লেট ও সুবিধা: ট্রেনের ওয়াশরুমগুলো আধুনিক এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন, যা দীর্ঘ ভ্রমণে খুবই জরুরি।
  • প্রাকৃতিক দৃশ্য: ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম এবং সেখান থেকে কক্সবাজার যাওয়ার পথে ট্রেনের জানালা দিয়ে পাহাড় ও প্রকৃতির যে দৃশ্য দেখা যায়, তা এক কথায় অসাধারণ।

পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেনের বিস্তারিত পরিচিতি

পর্যটক এক্সপ্রেস (ট্রেন নং ৮১৫/৮১৬) বাংলাদেশ রেলওয়ের পরিচালিত একটি বিরতিহীন আন্তঃনগর ট্রেন। এটি মূলত ঢাকা ও কক্সবাজার রুটে চলাচল করে। ট্রেনটি ১০ জানুয়ারি ২০২৪ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে। পর্যটকদের কথা মাথায় রেখেই এই ট্রেনের নামকরণ করা হয়েছে এবং এর সময়সূচী এমনভাবে সাজানো হয়েছে যাতে মানুষ হোটেল চেক-ইন এবং চেক-আউটের সময়ের সাথে মিল রেখে ভ্রমণ করতে পারেন।

এই ট্রেনটি কোরিয়া থেকে আমদানী করা অত্যাধুনিক কোচ দিয়ে সাজানো। পুরো ট্রেনটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত না হলেও এর ‘স্নিগ্ধা’ বগিগুলো সম্পূর্ণ এসি। তবে সাধারণ শোভন চেয়ার বগিগুলোও বেশ মানসম্মত।

পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী ২০২৬

ট্রেনে ভ্রমণের ক্ষেত্রে সময়জ্ঞান থাকাটা সবচেয়ে জরুরি। আপনি যদি পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী সম্পর্কে সঠিক ধারণা রাখেন তবে আপনার ভ্রমণ পরিকল্পনা করা অনেক সহজ হবে। এই ট্রেনটি ঢাকা থেকে খুব ভোরে ছাড়ে এবং কক্সবাজার থেকে রাতে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। নিচে বাংলাদেশ রেলওয়ে নির্ধারিত সময়সূচী বিস্তারিত দেওয়া হলো।

ঢাকা থেকে কক্সবাজার সময়সূচী (Train No: 815)

ঢাকা কমলাপুর স্টেশন থেকে ট্রেনটি একদম ভোরের দিকে ছেড়ে যায়। যারা দিনের আলোতে পাহাড় ও প্রকৃতির দৃশ্য দেখতে দেখতে যেতে চান, তাদের জন্য এই সময়টা একদম পারফেক্ট।

ছাড়ার স্টেশনছাড়ার সময়পৌঁছানোর স্টেশনপৌঁছানোর সময়বিরতি স্টেশন
ঢাকা (কমলাপুর)সকাল ০৬:১৫ মি.কক্সবাজারবিকাল ০৩:০০ মি.চট্টগ্রাম

কক্সবাজার থেকে ঢাকা সময়সূচী (Train No: 816)

কক্সবাজার ভ্রমণ শেষে ফেরার জন্য এই ট্রেনটি রাতের সময় বেছে নিয়েছে। এর ফলে সারাদিন সমুদ্র সৈকতে কাটিয়ে বা কেনাকাটা করে আপনি রাতের ট্রেনে নিশ্চিন্তে ঢাকায় ফিরতে পারবেন।

ছাড়ার স্টেশনছাড়ার সময়পৌঁছানোর স্টেশনপৌঁছানোর সময়বিরতি স্টেশন
কক্সবাজাররাত ০৮:০০ মি.ঢাকা (কমলাপুর)ভোর ০৪:৩০ মি.চট্টগ্রাম

চট্টগ্রাম টু কক্সবাজার সময়সূচী

অনেকে আছেন যারা চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার যেতে চান। তাদের জন্যও এই ট্রেনটি সুবিধাজনক।

  • চট্টগ্রাম থেকে ছাড়ে: সকাল ১১:৪০ মিনিটে।
  • কক্সবাজার পৌঁছায়: বিকাল ০৩:০০ মিনিটে।

আবার ফেরার পথে:

  • কক্সবাজার থেকে ছাড়ে: রাত ০৮:০০ মিনিটে।
  • চট্টগ্রাম পৌঁছায়: রাত ১১:৫০ মিনিটে।

সতর্কতা: রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ যেকোনো সময় অনিবার্য কারণে সময়সূচী পরিবর্তন করার ক্ষমতা রাখে। তাই ভ্রমণের আগে বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বা অ্যাপ থেকে সময়টা মিলিয়ে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেনের ভাড়ার তালিকা

ট্রেনের টিকিটের দাম বাসের তুলনায় অনেক সাশ্রয়ী। বিশেষ করে আপনি যে পরিমাণ সুবিধা পাবেন, সেই তুলনায় ভাড়ার পরিমাণ বেশ যৌক্তিক। পর্যটক এক্সপ্রেসে মূলত দুই ধরণের আসন ব্যবস্থা রয়েছে: শোভন চেয়ার (Non-AC) এবং স্নিগ্ধা (AC)। নিচে ভ্যাটসহ প্রতিটি সিটের ভাড়ার তালিকা দেওয়া হলো।

ঢাকা থেকে কক্সবাজার ভাড়ার তালিকা

সিটের ধরন (Class)ভাড়ার পরিমাণ (টাকা)
শোভন চেয়ার (Shovan Chair)৭১৫ টাকা
স্নিগ্ধা (Snigdha – AC)১,৩৪৫ টাকা

চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার ভাড়ার তালিকা

সিটের ধরন (Class)ভাড়ার পরিমাণ (টাকা)
শোভন চেয়ার (Shovan Chair)২৭০ টাকা
স্নিগ্ধা (Snigdha – AC)৪৯০ টাকা

টিপস: আপনি যদি বাজেটের মধ্যে ভ্রমণ করতে চান, তবে শোভন চেয়ার বেছে নিতে পারেন। আর যদি আরামদায়ক ও ঠান্ডা পরিবেশে ভ্রমণ করতে চান, তবে স্নিগ্ধা বা এসি চেয়ার আপনার জন্য সেরা হবে। মনে রাখবেন ছোট বাচ্চাদের জন্য হাফ ভাড়ার নিয়ম প্রযোজ্য হতে পারে। তবে সেক্ষেত্রে সিট নিলে পূর্ণ ভাড়াই দিতে হয়।

পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেনের বিরতি স্টেশন বা স্টপেজ

পর্যটক এক্সপ্রেস একটি বিরতিহীন বা Non-stop ট্রেন হিসেবে পরিচিত। এর মানে হলো এটি লোকাল ট্রেনের মতো সব স্টেশনে থামে না। ঢাকা থেকে ছাড়ার পর এটি দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে শুধুমাত্র একটি স্টেশনে যাত্রী ওঠানামা করায়।

  • বিরতি স্টেশন: চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশন।
  • বিরতির সময়কাল: প্রায় ২০ থেকে ৩০ মিনিট (অপারেশনাল কারণে কম-বেশি হতে পারে)।

ঢাকা থেকে ছেড়ে ট্রেনটি বিমানবন্দর স্টেশনেও থামে না (সাধারণত), সরাসরি চট্টগ্রাম গিয়ে থামে। এরপর সেখান থেকে ইঞ্জিন ঘুরিয়ে বা অপারেশনাল কাজ শেষ করে সরাসরি কক্সবাজার আইকনিক স্টেশনে গিয়ে থামে। ফেরার পথেও একই নিয়ম মেনে চলে। তাই আপনি যদি মাঝখানের কোনো স্টেশনে নামতে চান, তবে এই ট্রেনটি আপনার জন্য সুবিধাজনক হবে না।

অনলাইনে টিকিট কাটার নিয়ম ও পরামর্শ

আজকাল কাউন্টারে গিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে টিকিট কাটার দিন শেষ। আপনি ঘরে বসেই খুব সহজে বাংলাদেশ রেলওয়ে এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বা ‘Rail Sheba’ অ্যাপ ব্যবহার করে টিকিট কাটতে পারেন। যেহেতু ঢাকা-কক্সবাজার রুটে টিকিটের চাহিদা অনেক বেশি তাই টিকিট ছাড়ার সাথে সাথেই কেটে ফেলা উচিত।

টিকিট কাটার ধাপসমূহ:

  1. প্রথমে eticket.railway.gov.bd ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন।
  2. আপনার এনআইডি ও মোবাইল নম্বর দিয়ে রেজিস্ট্রেশন বা লগ-ইন করুন।
  3. ‘From’ অপশনে Dhaka এবং ‘To’ অপশনে Cox’s Bazar সিলেক্ট করুন।
  4. ভ্রমণের তারিখ নির্বাচন করুন (সাধারনত ১০ দিন আগের টিকিট অনলাইনে পাওয়া যায়)।
  5. ‘Parjatak Express’ ট্রেনটি খুঁজে বের করুন এবং পছন্দের সিট (Shovan Chair বা Snigdha) সিলেক্ট করুন।
  6. পেমেন্ট গেটওয়ে ব্যবহার করে বিকাশ, নগদ বা কার্ডের মাধ্যমে পেমেন্ট সম্পন্ন করুন।
  7. টিকিট কনফার্ম হলে ইমেইল বা ড্যাশবোর্ড থেকে টিকিটটি ডাউনলোড করে প্রিন্ট করে নিন।

গুরুত্বপূর্ণ টিপস:

  • সকাল ৮:০০টার সময় অনলাইনে টিকিট ছাড়া হয়। তাই ৮টার আগেই লগ-ইন করে প্রস্তুত থাকবেন।
  • ঈদ বা ছুটির দিনে টিকিটের চাহিদা আকাশচুম্বী থাকে, তাই দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া জরুরি।
  • একই আইডি থেকে সর্বোচ্চ ৪টি টিকিট কাটা যায়।

কক্সবাজার স্টেশন থেকে শহরে যাওয়ার উপায়

কক্সবাজারের আইকনিক রেলওয়ে স্টেশনটি মূল শহর বা সমুদ্র সৈকত থেকে কিছুটা দূরে অবস্থিত। স্টেশনটি ঝিলংজা এলাকায় অবস্থিত। ট্রেন থেকে নামার পর আপনি সেখান থেকে ব্যাটারি চালিত ইজিবাইক, সিএনজি বা শাটল বাস পাবেন।

  • স্টেশন টু কলাতলী বিচ: সিএনজিতে যেতে প্রায় ৩০-৪০ মিনিট সময় লাগতে পারে। ভাড়া ২০০-৩০০ টাকার মধ্যে (দরদাম করে নেওয়া ভালো)।
  • বাস সার্ভিস: বিআরটিসি’র শাটল বাস সার্ভিস চালু আছে যা স্টেশন থেকে শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে যাত্রীদের পৌঁছে দেয়। এটি বেশ সাশ্রয়ী।

ভ্রমণে কিছু প্রয়োজনীয় সতর্কতা

ট্রেন ভ্রমণ আনন্দদায়ক হলেও কিছু নিয়ম মেনে চলা উচিত যাতে আপনার যাত্রা নির্বিঘ্ন হয়।

  • টিকিট প্রিন্ট: অনলাইনে টিকিট কাটলে অবশ্যই তার হার্ড কপি বা পিডিএফ মোবাইলে সংরক্ষণ করুন। টিটিই চেক করতে চাইলে তা প্রদর্শন করতে হবে।
  • এনআইডি কার্ড: ভ্রমণের সময় নিজের জাতীয় পরিচয়পত্র বা তার ফটোকপি সাথে রাখা নিরাপদ।
  • সময়ের আগে স্টেশনে: ট্রেন ছাড়ার অন্তত ৩০ মিনিট আগে স্টেশনে পৌঁছান। ঢাকা কমলাপুর স্টেশনের বিশালতা এবং ভিড়ের কারণে প্ল্যাটফর্ম খুঁজে পেতে সময় লাগতে পারে।
  • মালামাল: নিজের মালামাল নিজ দায়িত্বে রাখুন। ট্রেনে অপরিচিত কারো দেওয়া খাবার খাবেন না।
  • পরিচ্ছন্নতা: ট্রেনের ভেতর চিপসের প্যাকেট বা পানির বোতল যেখানে সেখানে ফেলবেন না। নির্দিষ্ট ডাস্টবিন ব্যবহার করুন।

পর্যটক এক্সপ্রেস ছাড়া আর কোন ট্রেন আছে কি?

হ্যাঁ, পর্যটক এক্সপ্রেস ছাড়াও ঢাকা-কক্সবাজার রুটে ‘কক্সবাজার এক্সপ্রেস’ (Cox’s Bazar Express) নামে আরও একটি জনপ্রিয় ট্রেন চলাচল করে। ওই ট্রেনটির সময়সূচী পর্যটক এক্সপ্রেস থেকে ভিন্ন। কক্সবাজার এক্সপ্রেস সাধারণত দুপুরের দিকে ঢাকা ছাড়ে। তবে ভাড়ার তালিকা দুটি ট্রেনেরই প্রায় সমান। আপনার সময়ের সুবিধা অনুযায়ী আপনি যেকোনো একটি বেছে নিতে পারেন।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)

পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেনের সাপ্তাহিক ছুটির দিন কোনটি?

সাধারণত পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেনের সাপ্তাহিক ছুটির দিন রবিবার (Sunday)। অর্থাৎ রবিবার এই ট্রেন চলাচল করে না। তবে ভ্রমণের আগে রুটিন চেক করে নেওয়া ভালো।

ঢাকা থেকে কক্সবাজার যেতে কত সময় লাগে?

ট্রেনের সময়সূচী অনুযায়ী ঢাকা থেকে কক্সবাজার যেতে প্রায় ৮ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট সময় লাগে। তবে ক্রসিং বা অন্যান্য কারণে সামান্য দেরি হতে পারে।

আমি কি টিকিট ক্যানসেল বা ফেরত দিতে পারব?

হ্যাঁ, রেলওয়ের নিয়ম অনুযায়ী অনলাইনে বা কাউন্টারে টিকিট ফেরত দেওয়া যায়। তবে যাত্রার কত সময় আগে ফেরত দিচ্ছেন তার ওপর ভিত্তি করে নির্দিষ্ট পরিমাণ সার্ভিস চার্জ কেটে বাকি টাকা ফেরত দেওয়া হবে।

ট্রেনে কি ওয়াই-ফাই সুবিধা আছে?

বর্তমানে বাংলাদেশ রেলওয়ের সব ট্রেনে ফ্রি ওয়াই-ফাই সুবিধা নেই। পর্যটক এক্সপ্রেসেও অফিসিয়ালি ফ্রি উচ্চগতির ওয়াই-ফাই সবসময় পাওয়া যায় না। তাই নিজের মোবাইল ডাটা ব্যবহার করাই শ্রেয়।

শেষ কথা

পরিশেষে বলা যায়, ঢাকা থেকে কক্সবাজার ভ্রমণের জন্য পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেন বর্তমানে সবচেয়ে স্মার্ট এবং আরামদায়ক উপায়। এর আধুনিক সুযোগ-সুবিধা, সঠিক সময়ানুবর্তিতা এবং সাশ্রয়ী ভাড়া পর্যটকদের মন জয় করে নিয়েছে। আপনি যদি আগামী ছুটিতে পরিবার বা বন্ধুদের নিয়ে কক্সবাজার যাওয়ার প্ল্যান করে থাকেন। তবে নির্দ্বিধায় পর্যটক এক্সপ্রেসের টিকিট কাটতে পারেন।

Nustrat Jahan

আমি রেলওয়ে সেবা ওয়েব সাইটে পরিচালনা করে থাকি। আমার উদ্দেশ্য সাধারণ মানুষকে সঠিক তথ্য প্রদান করা রেলে সম্পর্কে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button