কক্সবাজার এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়ার তালিকা ২০২৬

দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে এবং অনেক জল্পনা-কল্পনার পর অবশেষে স্বপ্ন সত্যি হয়েছে ভ্রমণপিপাসু মানুষের। চালু হয়েছে ঢাকা টু কক্সবাজার রুটের প্রথম আন্তঃনগর ট্রেন “কক্সবাজার এক্সপ্রেস”। ২০২৩ সালের ১১ই নভেম্বর এই জাঁকজমকপূর্ণ ট্রেনটির শুভ উদ্বোধন করা হয় এবং ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ থেকে এটি যাত্রীদের সেবায় পুরোদমে চলাচল শুরু করে। এই ট্রেনটি চালু হওয়ার ফলে পর্যটকদের জন্য কক্সবাজার ভ্রমণ এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি সাশ্রয়ী ও আরামদায়ক হয়েছে।

বাসের দীর্ঘ যানজট আর বিমানের আকাশচুম্বী ভাড়ার চিন্তা বাদ দিয়ে এখন খুব সহজেই কম খরচে ঢাকা থেকে কক্সবাজার এবং চট্টগ্রাম ভ্রমণ করা সম্ভব। কক্সবাজার এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী এমনভাবে সাজানো হয়েছে যে, আপনি চাইলে রাতে রওয়ানা দিয়ে সকালে পৌঁছে সারাদিন সমুদ্র সৈকতে ঘুরে আবার রাতেই ঢাকার উদ্দেশ্যে ফিরে আসতে পারবেন। আজকের এই আর্টিকেলে আমরা কক্সবাজার এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী ২০২৬, ভাড়ার তালিকা এবং এই রুটের অন্যান্য লোকাল ট্রেনের ভাড়ার বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরব।

কক্সবাজার এক্সপ্রেস

ঢাকা থেকে পর্যটন নগরী কক্সবাজারের দূরত্ব সড়কপথে প্রায় ৪০০ কিলোমিটার। আগে বাসে এই দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে প্রায় ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা, আর জ্যাম থাকলে আরও বেশি সময় লাগত। এতে করে যাত্রীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হতো। যদিও বিমানে মাত্র এক ঘণ্টায় যাওয়া যায়। তবে সাধারণ মানুষের জন্য বিমানের ভাড়া বহন করা বেশ কষ্টসাধ্য। এই সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যেই সরকার দোহাজারী থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত নতুন রেললাইন স্থাপনের একটি বিশাল পরিকল্পনা গ্রহণ করে।

২০১১ সালে প্রায় ১৮ হাজার ৩৪ কোটি ৪৭ লাখ টাকা ব্যয়ে চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার রেললাইন প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়। দীর্ঘ কর্মযজ্ঞ শেষে দোহাজারী থেকে রামু এবং রামু থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত ১০০ কিলোমিটার নতুন রেলপথ প্রস্তুত হয়। এই রুটে চলাচলকারী প্রথম আন্তঃনগর ট্রেন হলো “কক্সবাজার এক্সপ্রেস” (ট্রেন নম্বর ৮১৩/৮১৪)। এই ট্রেনে সর্বমোট সিট সংখ্যা ৭৯৭টি এবং এটি ঘণ্টায় প্রায় ১৩০ কিলোমিটার বেগে ঢাকা থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত প্রায় ৫৫২ কিলোমিটার পথ পাড়ি দেয়।

কক্সবাজার এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী ২০২৬

ভ্রমণের পরিকল্পনা করার আগে ট্রেনের সঠিক সময়সূচী জানা অত্যন্ত জরুরি। কক্সবাজার এক্সপ্রেস ট্রেনটি মূলত বিরতিহীন বা ননস্টপ ট্রেন হিসেবে পরিচিত, তবে এটি পথে শুধুমাত্র চট্টগ্রাম স্টেশনে এবং ঢাকা বিমানবন্দর স্টেশনে যাত্রাবিরতি দেয়। নিচে ঢাকা ও কক্সবাজার উভয় প্রান্ত থেকে ট্রেন ছাড়ার এবং পৌঁছানোর বিস্তারিত সময়সূচী দেওয়া হলোঃ

ঢাকা থেকে কক্সবাজার ট্রেনের সময়সূচী ২০২৬

স্টেশনের নামছাড়ার সময়পৌঁছানোর সময়মন্তব্য
ঢাকা (কমলাপুর)রাত ১১:০০ মি.–যাত্রা শুরু
বিমানবন্দররাত ১১:৩০ মি.১১:২৩ মি.সংক্ষিপ্ত বিরতি
চট্টগ্রামরাত ০৩:৪০ মি.০৩:৪০ মি.বিরতি ও যাত্রী ওঠা-নামা
কক্সবাজার–সকাল ০৭:২০ মি.যাত্রা সমাপ্ত

নতুন সময়সূচী অনুযায়ী, ঢাকা কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে ট্রেনটি ঠিক রাত ১১টায় ছেড়ে যায়। এরপর বিমানবন্দর স্টেশনে রাত ১১টা ২৩ মিনিটে থামে এবং ১১টা ৩০ মিনিটে ছেড়ে যায়। ভোর ৩টা ৪০ মিনিটে ট্রেনটি চট্টগ্রাম পৌঁছায় এবং সেখান থেকে ছেড়ে সকাল ৭টা ২০ মিনিটে কক্সবাজার আইকনিক স্টেশনে পৌঁছায়।

কক্সবাজার থেকে ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী ২০২৬

স্টেশনের নামছাড়ার সময়পৌঁছানোর সময়মন্তব্য
কক্সবাজারদুপুর ১২:৩০ মি.–যাত্রা শুরু
চট্টগ্রামবিকাল ০৩:৪০ মি.০৩:৪০ মি.বিরতি ও যাত্রী ওঠা-নামা
বিমানবন্দররাত ০৮:৩০ মি.০৮:৩০ মি.যাত্রা বিরতি
ঢাকা (কমলাপুর)–রাত ০৯:০০ মি.যাত্রা সমাপ্ত

কক্সবাজার থেকে ফেরার পথে ট্রেনটি দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে যাত্রা শুরু করে। চট্টগ্রাম স্টেশনে এটি পৌঁছায় বিকাল ৩টা ৪০ মিনিটে। এরপর দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে রাত ৮টা ৩০ মিনিটে ঢাকা বিমানবন্দর স্টেশনে পৌঁছায় এবং সর্বশেষ রাত ৯টায় কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে যাত্রা শেষ করে।

ঢাকা টু কক্সবাজার এক্সপ্রেস ট্রেনের ভাড়ার তালিকা

কক্সবাজার এক্সপ্রেসে ভ্রমণের জন্য বিভিন্ন শ্রেণীর সিট বা আসন ব্যবস্থা রয়েছে। আপনার বাজেট এবং পছন্দ অনুযায়ী আপনি সিট বেছে নিতে পারেন। তবে মনে রাখবেন, এই ট্রেনের চাহিদা অনেক বেশি, তাই আগে থেকেই টিকেট কেটে রাখা ভালো। নিচে ঢাকা টু কক্সবাজার রুটের আন্তঃনগর ট্রেনের ভাড়ার তালিকা দেওয়া হলো:

আসনের ধরন (Class)ভাড়া (টাকা)
শোভন চেয়ার৬৯৫ টাকা
এসি সিট (স্নিগ্ধা)১৩২৫ টাকা
এসি বার্থ২৪৩০ টাকা

বিঃদ্রঃ উপরে উল্লেখিত ভাড়ার সাথে অনেক সময় অনলাইন চার্জ যুক্ত হতে পারে।

এছাড়াও এই রুটে মেইল বা লোকাল ট্রেন চলাচল করে, যার ভাড়া তুলনামূলক অনেক কম। ঢাকা থেকে কক্সবাজার মেইল ট্রেনের সর্বনিম্ন ভাড়া শুরু হয় ১৭০ টাকা থেকে এবং সাধারণ মেইল বা কমিউটার ট্রেনের ভাড়া ১২৫ টাকা পর্যন্ত হতে পারে। তবে মনে রাখবেন, কক্সবাজার এক্সপ্রেসে ১২৫ বা ১৭০ টাকার কোনো টিকেট নেই। কম ভাড়ায় যেতে চাইলে আপনাকে চট্টগ্রাম মেইল বা অন্য কোনো লোকাল ট্রেন বেছে নিতে হবে।

কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন স্টেশনের ভাড়ার তালিকা

ঢাকা থেকে সরাসরি কক্সবাজার ছাড়াও, চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজারের মধ্যবর্তী বিভিন্ন স্টেশনে যাতায়াতের জন্য সরকার ভাড়ার একটি তালিকা নির্ধারণ করেছে। যারা লোকাল বা মেইল ট্রেনে যাতায়াত করবেন, তাদের জন্য এই তালিকাটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। নিচে কক্সবাজার থেকে বিভিন্ন গন্তব্যের ভাড়ার বিস্তারিত বিবরণ দেওয়া হলো।

কক্সবাজার টু রামু ভাড়ার তালিকা

রামু কক্সবাজারের খুব কাছেই অবস্থিত একটি স্টেশন। লোকাল বা মেইল ট্রেনে যাতায়াতের জন্য ভাড়ার হার নিম্নরূপ:

  • সাধারণ ট্রেনের ভাড়া: ৫ টাকা
  • মেইল/এক্সপ্রেস ট্রেনের ভাড়া: ১৫ টাকা
  • কমিউটার ট্রেনের ভাড়া: ২০ টাকা
  • সুলভ শ্রেণী: ৩৫ টাকা
  • শোভন: ৪৫ টাকা
  • শোভন চেয়ার: ৫০ টাকা
  • ১ম চেয়ার: ১০৪ টাকা
  • ১ম বার্থ (ভ্যাটসহ): ১২৭ টাকা
  • স্নিগ্ধা (এসি): ১১৫ টাকা
  • এসি সিট: ১২৭ টাকা
  • এসি বার্থ: ১৫০ টাকা

কক্সবাজার টু ইসলামাবাদ ভাড়ার তালিকা

কক্সবাজার থেকে ইসলামাবাদের দূরত্ব খুব বেশি নয়। এই রুটের ভাড়ার তালিকা নিচে দেওয়া হলো:

  • সাধারণ শ্রেণী: ১১ টাকা
  • মেইল/এক্সপ্রেস: ১৫ টাকা
  • কমিউটার: ২০ টাকা
  • সুলভ: ৩৫ টাকা
  • শোভন: ৪৫ টাকা
  • শোভন চেয়ার: ৫০ টাকা
  • ১ম চেয়ার: ১০৪ টাকা
  • স্নিগ্ধা: ১১৫ টাকা
  • এসি সিট: ১২৭ টাকা
  • এসি বার্থ: ১৫০ টাকা

কক্সবাজার টু ডুলাহাজারা ভাড়ার তালিকা

কক্সবাজার থেকে যারা ডুলাহাজারা বা সাফারি পার্ক এলাকায় যেতে চান, তাদের জন্য ট্রেনের ভাড়া অত্যন্ত সাশ্রয়ী।

  • সাধারণ শ্রেণী: ১৫ টাকা
  • মেইল/এক্সপ্রেস: ২০ টাকা
  • কমিউটার: ২৫ টাকা
  • সুলভ: ৩৫ টাকা
  • শোভন: ৫০ টাকা
  • শোভন চেয়ার: ৬০ টাকা
  • ১ম চেয়ার: ১০৪ টাকা
  • স্নিগ্ধা: ১১৫ টাকা
  • এসি সিট: ১৩৩ টাকা
  • এসি বার্থ: ২০২ টাকা

আপনারা যারা কক্সবাজার এক্সপ্রেস ট্রেনে সিট পাচ্ছেন না বা বাজেট কম, তারা “কর্ণফুলী কমিউটার” ট্রেনটি ব্যবহার করতে পারেন। এটি দামে কম এবং মানের দিক থেকেও লোকাল হিসেবে ভালো সেবা প্রদান করে।

কক্সবাজার টু চকরিয়া ভাড়ার তালিকা

চকরিয়া কক্সবাজার জেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা। এখান থেকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যাতায়াত করা যায়। ট্রেনের ভাড়ার তালিকাটি নিম্নরূপ:

  • সাধারণ শ্রেণী: ২০ টাকা
  • মেইল/এক্সপ্রেস: ৩০ টাকা
  • কমিউটার: ৩৫ টাকা
  • সুলভ: ৪০ টাকা
  • শোভন: ৬৫ টাকা
  • শোভন চেয়ার: ৮০ টাকা
  • ১ম চেয়ার: ১২১ টাকা
  • ১ম বার্থ (ভ্যাটসহ): ১৭৯ টাকা
  • স্নিগ্ধা: ১৫০ টাকা
  • এসি সিট: ১৭৯ টাকা
  • এসি বার্থ: ২৭১ টাকা

কক্সবাজার টু হারবাং ভাড়ার তালিকা

  • সাধারণ শ্রেণী: ৩০ টাকা
  • মেইল/এক্সপ্রেস: ৪০ টাকা
  • কমিউটার: ৪৫ টাকা
  • সুলভ: ৫৫ টাকা
  • শোভন: ৯০ টাকা
  • শোভন চেয়ার: ১১০ টাকা
  • ১ম চেয়ার: ১৬৭ টাকা
  • ১ম বার্থ (ভ্যাটসহ): ২৪৮ টাকা
  • স্নিগ্ধা: ২০৭ টাকা
  • এসি সিট: ২৪৮ টাকা
  • এসি বার্থ: ৩৬৮ টাকা

কক্সবাজার টু লোহাগাড়া ভাড়ার তালিকা

লোহাগাড়া চট্টগ্রাম জেলার অন্তর্গত হলেও কক্সবাজার রেল রুটের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

  • সাধারণ শ্রেণী: ৩৫ টাকা
  • মেইল/এক্সপ্রেস: ৪৫ টাকা
  • কমিউটার: ৫৫ টাকা
  • সুলভ: ৬৫ টাকা
  • শোভন: ১০৫ টাকা
  • শোভন চেয়ার: ১২৫ টাকা
  • ১ম চেয়ার: ১৯০ টাকা
  • ১ম বার্থ (ভ্যাটসহ): ২৮৮ টাকা
  • স্নিগ্ধা: ২৩৬ টাকা
  • এসি সিট: ২৮৮ টাকা
  • এসি বার্থ: ৪২৬ টাকা

কক্সবাজার টু সাতকানিয়া ভাড়ার তালিকা

  • সাধারণ শ্রেণী: ৩৫ টাকা
  • মেইল/এক্সপ্রেস: ৫০ টাকা
  • কমিউটার: ৬০ টাকা
  • সুলভ: ৭০ টাকা
  • শোভন: ১১৫ টাকা
  • শোভন চেয়ার: ১৪০ টাকা
  • ১ম চেয়ার: ২১৩ টাকা
  • ১ম বার্থ (ভ্যাটসহ): ৩২২ টাকা
  • স্নিগ্ধা: ২৬৫ টাকা
  • এসি সিট: ৩২২ টাকা
  • এসি বার্থ: ৪৭৮ টাকা

কক্সবাজার টু দোহাজারি ভাড়ার তালিকা

দোহাজারি স্টেশনটি ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এখান থেকেই নতুন রেললাইনের শুরু।

  • সাধারণ শ্রেণী: ৪০ টাকা
  • মেইল/এক্সপ্রেস: ৫৫ টাকা
  • কমিউটার: ৬৫ টাকা
  • সুলভ: ৮০ টাকা
  • শোভন: ১৩০ টাকা
  • শোভন চেয়ার: ১৫৫ টাকা
  • ১ম চেয়ার: ২৩৬ টাকা
  • ১ম বার্থ (ভ্যাটসহ): ৩৫৭ টাকা
  • স্নিগ্ধা: ২৯৯ টাকা
  • এসি সিট: ৩৫৭ টাকা
  • এসি বার্থ: ৫৩৫ টাকা

কক্সবাজার টু চট্টগ্রাম ভাড়ার তালিকা

চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার রুটে সবচেয়ে বেশি যাত্রী যাতায়াত করে। এই রুটে আন্তঃনগর এবং লোকাল উভয় প্রকার ট্রেনের সুবিধাই রয়েছে।

  • সাধারণ টিকেট: ৫৫ টাকা
  • মেইল: ৭০ টাকা
  • কমিউটার: ৮৫ টাকা
  • সুলভ: ১০৫ টাকা
  • শোভন: ১৭০ টাকা
  • শোভন চেয়ার: ২০৫ টাকা
  • ১ম চেয়ার (ভ্যাটসহ): ২৭০ টাকা
  • ১ম বার্থ: ৪০৫ টাকা
  • স্নিগ্ধা: ৩৮৬ টাকা
  • এসি সিট: ৪৬৬ টাকা
  • এসি বার্থ: ৬৯৫ টাকা

টিকেট কাটার নিয়ম ও পরামর্শ

কক্সবাজার এক্সপ্রেস ট্রেনের টিকেট কাটতে হলে আপনাকে অবশ্যই জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্ম নিবন্ধন সনদ ব্যবহার করতে হবে। টিকেট আপনারা অনলাইন এবং অফলাইন দুইভাবেই কাটতে পারবেন। অনলাইনে বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বা অ্যাপ থেকে টিকেট কাটা যায়। যেহেতু এই ট্রেনের চাহিদা অনেক বেশি, তাই যাত্রার অন্তত ১০ দিন আগে টিকেট কাটার চেষ্টা করবেন। আর যদি কম খরচে যেতে চান, তবে স্টেশনে গিয়ে মেইল বা কমিউটার ট্রেনের খোঁজ নিতে পারেন।

প্রশ্ন ও উত্তর (FAQ)

কক্সবাজার এক্সপ্রেস ট্রেন ঢাকা থেকে কখন ছাড়ে?

কক্সবাজার এক্সপ্রেস ট্রেনটি ঢাকা কমলাপুর স্টেশন থেকে রাত ১১টা ০০ মিনিটে ছেড়ে যায়।

ঢাকা টু কক্সবাজার এসি টিকেটের দাম কত?

ঢাকা থেকে কক্সবাজার এসি স্নিগ্ধা শ্রেণীর টিকেটের দাম ১৩২৫ টাকা এবং এসি বার্থের দাম ২৪৩০ টাকা।

কক্সবাজার এক্সপ্রেসে কি খাবার পাওয়া যায়?

হ্যাঁ, এই ট্রেনে খাবারের বগি বা প্যান্ট্রি কার সংযুক্ত থাকে, যেখানে নির্ধারিত মূল্যে খাবার কিনে খাওয়া যায়।

চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার যেতে কত সময় লাগে?

ট্রেনে চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার যেতে প্রায় ৩ ঘণ্টা ৪০ মিনিট সময় লাগে।

শেষ কথা

পরিশেষে বলা যায়, কক্সবাজার এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়ার তালিকা জানা থাকলে আপনার ভ্রমণ পরিকল্পনা অনেক সহজ হয়ে যাবে। নিরাপদ এবং আরামদায়ক ভ্রমণের জন্য ট্রেন বর্তমানে সেরা মাধ্যম। আপনি যদি সমুদ্রের গর্জন শুনতে চান এবং পথের ক্লান্তি এড়াতে চান, তবে কক্সবাজার এক্সপ্রেস হতে পারে আপনার প্রথম পছন্দ। আশা করি আজকের এই তথবহুল আর্টিকেলটি আপনার ভ্রমণে সহায়ক হবে।

Nustrat Jahan
আমি রেলওয়ে সেবা ওয়েব সাইটে পরিচালনা করে থাকি। আমার উদ্দেশ্য সাধারণ মানুষকে সঠিক তথ্য প্রদান করা রেলে সম্পর্কে।
Sharing Is Caring:

Leave a Comment