ধূমকেতু এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া ২০২৭

আমাদের WhatsApp চ্যানেলে জয়েন করুন 🙂 জয়েন করুন

ধূমকেতু এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া ২০২৭ আগে দেখে নিলে ঢাকা–রাজশাহী যাত্রার পরিকল্পনা অনেক সহজ হয়। বিশেষ করে ভোরের ৭৬৯ নম্বর ট্রেন ধরতে হলে স্টেশনে পৌঁছানোর সময়, মাঝপথের বিরতি এবং সাপ্তাহিক বন্ধের দিন জানা জরুরি।

প্রদত্ত বর্তমান রুট-তথ্য অনুযায়ী ৭৬৯ নম্বর ধূমকেতু এক্সপ্রেস ঢাকা থেকে সকাল ৬:০০টায় ছেড়ে সকাল ১১:৪০টায় রাজশাহী পৌঁছায়। অন্যদিকে, ৭৭০ নম্বর ট্রেনটি রাজশাহী থেকে রাত ১১:২০টায় ছেড়ে পরদিন ভোর ৪:৪০টায় ঢাকায় আসে। তাই ২০২৭ সালের যাত্রার আগে সময় ও ভাড়া বাংলাদেশ রেলওয়ের সর্বশেষ সিস্টেমে মিলিয়ে নিন।

  • ৭৬৯ নম্বর ট্রেন: ঢাকা থেকে রাজশাহী, সাপ্তাহিক বন্ধ বৃহস্পতিবার।
  • ৭৭০ নম্বর ট্রেন: রাজশাহী থেকে ঢাকা, সাপ্তাহিক বন্ধ বুধবার।
  • ৭৬৯-এর মোট যাত্রা সময় প্রায় ৫ ঘণ্টা ৪০ মিনিট।
  • ৭৭০-এর মোট যাত্রা সময় প্রায় ৫ ঘণ্টা ২০ মিনিট।

ধূমকেতু এক্সপ্রেসের সংক্ষিপ্ত তথ্য

ধূমকেতু এক্সপ্রেস ঢাকা–রাজশাহী রুটের একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তঃনগর ট্রেন। ট্রেন নম্বর ৭৬৯ ঢাকা থেকে রাজশাহীর দিকে যায় এবং ৭৭০ নম্বর রাজশাহী থেকে ঢাকার পথে চলে। ফলে ব্যস্ত যাত্রীদের জন্য এর বড় সুবিধা হলো সকালে ঢাকা থেকে রওনা হয়ে একই দিনে রাজশাহী পৌঁছানো যায়।

বিষয়তথ্য
ট্রেনের নামধূমকেতু এক্সপ্রেস
ট্রেন নম্বর৭৬৯ / ৭৭০
রুটঢাকা – রাজশাহী – ঢাকা
৭৬৯ নম্বরঢাকা → রাজশাহী
৭৭০ নম্বররাজশাহী → ঢাকা
৭৬৯-এর বন্ধের দিনবৃহস্পতিবার
৭৭০-এর বন্ধের দিনবুধবার
৭৬৯-এর যাত্রার সময়৫ ঘণ্টা ৪০ মিনিট
৭৭০-এর যাত্রার সময়৫ ঘণ্টা ২০ মিনিট

প্রধান রুটে ঢাকা, বিমানবন্দর, জয়দেবপুর, টাঙ্গাইল, ইব্রাহিমাবাদ, সিরাজগঞ্জ অঞ্চলের বিভিন্ন স্টেশন, ঈশ্বরদী, আব্দুলপুর, আড়ানী এবং রাজশাহী রয়েছে। তবে নির্দিষ্ট স্টেশনে ট্রেন থামবে কি না, তা টিকিট কাটার সময় নির্বাচিত যাত্রাপথে যাচাই করা ভালো।

৭৬৯ ট্রেনের সময়সূচী

ধূমকেতু এক্সপ্রেস ৭৬৯ ঢাকা থেকে রাজশাহী রুটে চলাচল করে। প্রদত্ত সময়সূচী অনুযায়ী ট্রেনটি ঢাকা রেলওয়ে স্টেশন বা কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে সকাল ৬:০০টায় ছাড়ে এবং সকাল ১১:৪০টায় রাজশাহী পৌঁছায়। অর্থাৎ, মোট নির্ধারিত যাত্রা সময় প্রায় ৫ ঘণ্টা ৪০ মিনিট।

স্টেশনআগমনের সময়বিরতিপ্রস্থানের সময়
ঢাকা—০০ মিনিটসকাল ০৬:০০
বিমানবন্দরসকাল ০৬:২৩০৫ মিনিটসকাল ০৬:২৮
জয়দেবপুরসকাল ০৬:৫১০২ মিনিটসকাল ০৬:৫৩
টাঙ্গাইলসকাল ০৭:৪৭০২ মিনিটসকাল ০৭:৪৯
ইব্রাহিমাবাদসকাল ০৮:০৯০২ মিনিটসকাল ০৮:১১
শহীদ এম. মনসুর আলীসকাল ০৮:২৭০৩ মিনিটসকাল ০৮:৩০
জামতৈলসকাল ০৮:৩৮০৬ মিনিটসকাল ০৮:৪৪
উল্লাপাড়াসকাল ০৮:৫৬০৩ মিনিটসকাল ০৮:৫৯
বড়াল ব্রিজসকাল ০৯:২৮০৩ মিনিটসকাল ০৯:৩১
চাটমোহরসকাল ০৯:৪৪০৩ মিনিটসকাল ০৯:৪৭
ঈশ্বরদী বাইপাসসকাল ১০:১২০৩ মিনিটসকাল ১০:১৫
আব্দুলপুরসকাল ১০:৩৩০৩ মিনিটসকাল ১০:৩৬
আড়ানীসকাল ১০:৪৭০২ মিনিটসকাল ১০:৪৯
রাজশাহীসকাল ১১:৪০০০ মিনিট—

সকালের যাত্রায় সময় বাঁচাতে চাইলে বিমানবন্দর বা জয়দেবপুর থেকে ওঠার পরিকল্পনা করা যায়। তবে ঢাকার মূল স্টেশন থেকে ট্রেন ধরলে নির্ধারিত ছাড়ার সময়ের অন্তত ৩০ মিনিট আগে পৌঁছানো নিরাপদ। কারণ, যানজটের কারণে শেষ মুহূর্তে স্টেশনে পৌঁছানো ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

৭৭০ ট্রেনের সময়সূচী

ধূমকেতু এক্সপ্রেস ৭৭০ রাজশাহী থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রাতে যাত্রা করে। প্রদত্ত সময়সূচী অনুযায়ী ট্রেনটি রাজশাহী থেকে রাত ১১:২০টায় ছাড়ে এবং পরদিন ভোর ৪:৪০টায় ঢাকায় পৌঁছায়। সুতরাং, মোট নির্ধারিত যাত্রা সময় প্রায় ৫ ঘণ্টা ২০ মিনিট।

স্টেশনআগমনের সময়বিরতিপ্রস্থানের সময়
রাজশাহী—০০ মিনিটরাত ১১:২০
আড়ানীরাত ১১:৫১——
আব্দুলপুররাত ১২:০৫০২ মিনিটরাত ১২:০৭
ঈশ্বরদী বাইপাসরাত ১২:২২০৩ মিনিটরাত ১২:২৫
চাটমোহররাত ১২:৪৫০৩ মিনিটরাত ১২:৪৮
বড়াল ব্রিজরাত ০১:০৫০৩ মিনিটরাত ০১:০৮
শহীদ এম. মনসুর আলীরাত ০১:৫৭০২ মিনিটরাত ০১:৫৯
ইব্রাহিমাবাদরাত ০২:১৬০২ মিনিটরাত ০২:১৮
জয়দেবপুররাত ০৩:৩২০৩ মিনিটরাত ০৩:৩৫
ঢাকাভোর ০৪:৪০০০ মিনিট—

রাতের ট্রেনে যাত্রা করলে রাজশাহী স্টেশনে আগেভাগে পৌঁছানো ভালো। রাত ১১:২০টায় ছাড়ার আগে টিকিট, আসন নম্বর এবং ট্রেন নম্বর মিলিয়ে নিন। এছাড়া, ভোরে ঢাকায় পৌঁছানোর পর বাস, রাইড-শেয়ার বা ব্যক্তিগত পরিবহনের ব্যবস্থা আগে ঠিক করে রাখলে সময় বাঁচে।

ভাড়া কত পড়বে

প্রদত্ত ২০২৬ সালের ঢাকা–রাজশাহী রুটভাড়া অনুযায়ী ধূমকেতু এক্সপ্রেসে আসনের শ্রেণি বদলালে ভাড়াও বদলে যায়। শোভন চেয়ারের ভাড়া ৪০৫ টাকা, স্নিগ্ধার ভাড়া ৭৭১ টাকা এবং এসি সিটের ভাড়া ৯২৬ টাকা।

আসনের শ্রেণিঢাকা → রাজশাহী ভাড়া
শোভন চেয়ার৪০৫ টাকা
স্নিগ্ধা৭৭১ টাকা
এসি সিট৯২৬ টাকা

২০২৭ সালের ভাড়া ২০২৬ সালের এই হিসাবের সঙ্গে এক নাও হতে পারে। রেলওয়ের ভাড়া, আসন শ্রেণি বা অনলাইন সেবার নিয়ম পরিবর্তিত হলে বুকিং সিস্টেমে নতুন মূল্য দেখা যাবে। পাশাপাশি, অনলাইন টিকিটের ক্ষেত্রে সার্ভিস বা প্রসেসিং চার্জ আলাদা যোগ হতে পারে। তাই পেমেন্টের আগে চূড়ান্ত মোট মূল্য দেখে নিন।

সরকারি ভাড়া ও টিকিট-সংক্রান্ত তথ্য যাচাই করতে বাংলাদেশ রেলওয়ের ই-টিকিটিং প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করা ভালো। তবে তথ্য পরিবর্তনের সম্ভাবনা থাকায় তৃতীয় পক্ষের পুরোনো তালিকার ওপর একা নির্ভর করবেন না।

কোথা থেকে ট্রেন ছাড়ে

৭৬৯ নম্বর ধূমকেতু এক্সপ্রেস ঢাকা রেলওয়ে স্টেশন বা কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে সকাল ৬:০০টায় ছাড়ে। এরপর বিমানবন্দর, জয়দেবপুর, টাঙ্গাইল, ইব্রাহিমাবাদ, শহীদ এম. মনসুর আলী, জামতৈল, উল্লাপাড়া, বড়াল ব্রিজ, চাটমোহর, ঈশ্বরদী বাইপাস, আব্দুলপুর এবং আড়ানী হয়ে রাজশাহীতে পৌঁছায়।

অন্যদিকে, রাজশাহী থেকে ৭৭০ নম্বর ট্রেন রাত ১১:২০টায় ছাড়ে। এর নির্ধারিত স্টেশনগুলোর মধ্যে আড়ানী, আব্দুলপুর, ঈশ্বরদী বাইপাস, চাটমোহর, বড়াল ব্রিজ, শহীদ এম. মনসুর আলী, ইব্রাহিমাবাদ এবং জয়দেবপুর রয়েছে। পরদিন ভোর ৪:৪০টায় ট্রেনটি ঢাকায় পৌঁছানোর কথা।

সাপ্তাহিক বন্ধের দিন

ধূমকেতু এক্সপ্রেসের দুই দিকের ট্রেনের সাপ্তাহিক বন্ধ আলাদা। ফলে ঢাকা থেকে রাজশাহী যাওয়ার দিন এবং রাজশাহী থেকে ঢাকা ফেরার দিন আলাদা করে যাচাই করতে হবে। একই সপ্তাহে যাতায়াতের পরিকল্পনা করলে এই পার্থক্যটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

ট্রেন নম্বররুটসাপ্তাহিক বন্ধ
৭৬৯ঢাকা → রাজশাহীবৃহস্পতিবার
৭৭০রাজশাহী → ঢাকাবুধবার

ধরা যাক, কেউ বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা থেকে রাজশাহী যেতে চান। প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী ৭৬৯ নম্বর ট্রেন সেদিন বন্ধ থাকবে। আবার, বুধবার রাতে রাজশাহী থেকে ফেরার পরিকল্পনা করলে ৭৭০ নম্বর ট্রেনের সাপ্তাহিক বন্ধের বিষয়টি আগে পরীক্ষা করা দরকার।

টিকিট কাটার নিয়ম

ধূমকেতু এক্সপ্রেসের টিকিট বাংলাদেশ রেলওয়ের অনলাইন ই-টিকিটিং ব্যবস্থা এবং Rail Sheba অ্যাপের মাধ্যমে কেনা যায়। সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, টিকিট সাধারণত যাত্রার কয়েক দিন আগে অনলাইনে বিক্রির জন্য উন্মুক্ত হয়। তাই আসনসংখ্যা সীমিত থাকায় জনপ্রিয় দিনে আগে খোঁজ নেওয়া সুবিধাজনক।

  1. প্রথমে বাংলাদেশ রেলওয়ের ই-টিকিটিং প্ল্যাটফর্ম বা Rail Sheba অ্যাপ খুলুন।
  2. এরপর যাত্রার তারিখ নির্বাচন করুন।
  3. From ঘরে ঢাকা অথবা রাজশাহী বেছে নিন।
  4. তারপর To ঘরে আপনার গন্তব্য নির্বাচন করুন।
  5. ধূমকেতু এক্সপ্রেস ৭৬৯ অথবা ৭৭০ নির্বাচন করুন।
  6. এরপর শোভন চেয়ার, স্নিগ্ধা বা এসি সিটের মধ্যে পছন্দের শ্রেণি বাছুন।
  7. যাত্রীর তথ্য দিয়ে পেমেন্ট সম্পন্ন করুন।
  8. সবশেষে ই-টিকিটের কপি ফোনে সংরক্ষণ করুন এবং প্রয়োজনে প্রিন্ট রাখুন।

বুকিং শেষ হওয়ার পর টিকিটে থাকা ট্রেন নম্বর, যাত্রার তারিখ, আসন নম্বর এবং সময় মিলিয়ে দেখুন। নাম বা পরিচয়-সংক্রান্ত তথ্য ভুল থাকলে যাত্রার আগে সংশোধনের সুযোগ ও নিয়ম জানতে রেলওয়ের নির্দেশনা অনুসরণ করুন।

সময় বাঁচানোর কৌশল

ব্যস্ত যাত্রীর জন্য তিনটি বিষয় আগে যাচাই করাই সবচেয়ে কার্যকর: সাপ্তাহিক বন্ধের দিন, পছন্দের আসন শ্রেণি এবং স্টেশনে পৌঁছানোর সময়। যেহেতু ৭৬৯ নম্বর ট্রেন সকাল ৬:০০টায় ছাড়ে, তাই ঢাকার যানজট এড়াতে আগের রাতেই যাত্রার প্রস্তুতি শেষ করা ভালো।

  • টিকিট কাটার আগে From এবং To স্টেশন দুবার যাচাই করুন।
  • পেমেন্টের পর টিকিটের স্ক্রিনশট বা কপি সংরক্ষণ করুন।
  • স্টেশনে অন্তত ৩০ মিনিট আগে পৌঁছানোর পরিকল্পনা রাখুন।
  • পরিবারের একাধিক যাত্রীর টিকিট হলে প্রত্যেকের তথ্য আলাদা করে মিলিয়ে নিন।

ট্রেন এখন কোথায়

ধূমকেতু এক্সপ্রেসের বর্তমান অবস্থান জানতে বাংলাদেশ রেলওয়ের ট্রেন ট্র্যাকিং SMS সেবা ব্যবহার করা যায়। ৭৬৯ নম্বর ট্রেনের জন্য TR 769 লিখে ১৬৩১৮ নম্বরে SMS পাঠাতে হবে। একইভাবে, ৭৭০ নম্বর ট্রেনের জন্য লিখতে হবে TR 770।

  • ৭৬৯ নম্বর ট্রেন: TR 769 লিখে ১৬৩১৮ নম্বরে পাঠান।
  • ৭৭০ নম্বর ট্রেন: TR 770 লিখে ১৬৩১৮ নম্বরে পাঠান।

SMS সেবায় ট্রেনের অবস্থান বা সংশ্লিষ্ট তথ্য পাওয়া যেতে পারে। তবে নেটওয়ার্ক, সেবা-প্রাপ্যতা বা রেলওয়ের সিস্টেমের কারণে উত্তর পেতে কিছুটা সময় লাগতে পারে। তাই স্টেশনে যাওয়ার আগে সর্বশেষ তথ্য পাওয়ার জন্য এই পদ্ধতি কাজে লাগানো যায়।

সাধারণ ভুলগুলো এড়ান

ধূমকেতু এক্সপ্রেসের টিকিট কাটার সময় সবচেয়ে সাধারণ ভুল হলো ৭৬৯ ও ৭৭০ নম্বরকে একই দিকের ট্রেন ধরে নেওয়া। বাস্তবে ৭৬৯ ঢাকা থেকে রাজশাহী যায় এবং ৭৭০ রাজশাহী থেকে ঢাকায় ফেরে। ফলে ভুল ট্রেন নম্বর বাছলে সঠিক তারিখ থাকলেও বুকিং কাঙ্ক্ষিত ফল দেবে না।

  • বৃহস্পতিবার ৭৬৯ নম্বর ট্রেনের বন্ধের দিন—এটি ভুলে যাবেন না।
  • অন্যদিকে, বুধবার ৭৭০ নম্বর ট্রেনের সাপ্তাহিক বন্ধ আছে।
  • রাত ১১:২০ এবং পরদিন ভোর ৪:৪০—এই সময় দুটিকে একই দিনের সময় ধরে ভুল করবেন না।
  • ভাড়া দেখার সময় অনলাইন সার্ভিস বা প্রসেসিং চার্জ যুক্ত হয়েছে কি না দেখুন।
  • স্টেশনভিত্তিক সময়কে চূড়ান্ত ধরে নেওয়ার আগে যাত্রার তারিখে রেলওয়ের সিস্টেম যাচাই করুন।

প্রশ্নগুলোর সংক্ষিপ্ত উত্তর

ধূমকেতু এক্সপ্রেসের ট্রেন নম্বর কত?

ধূমকেতু এক্সপ্রেসের ট্রেন নম্বর ৭৬৯ এবং ৭৭০। এর মধ্যে ৭৬৯ ঢাকা থেকে রাজশাহী যায়, আর ৭৭০ রাজশাহী থেকে ঢাকার পথে চলে।

ধূমকেতু এক্সপ্রেস ঢাকা থেকে কয়টায় ছাড়ে?

৭৬৯ নম্বর ধূমকেতু এক্সপ্রেস ঢাকা থেকে সকাল ৬:০০টায় ছাড়ে। তাই নির্ধারিত সময়ের আগে স্টেশনে পৌঁছানো নিরাপদ।

ঢাকা থেকে রাজশাহী পৌঁছাতে কত সময় লাগে?

প্রদত্ত সময়সূচী অনুযায়ী ৭৬৯ নম্বর ট্রেনের মোট যাত্রা সময় প্রায় ৫ ঘণ্টা ৪০ মিনিট। অর্থাৎ, সকাল ৬:০০টায় ছেড়ে ট্রেনটি সকাল ১১:৪০টায় রাজশাহী পৌঁছায়।

রাজশাহী থেকে ধূমকেতু এক্সপ্রেস কয়টায় ছাড়ে?

৭৭০ নম্বর ধূমকেতু এক্সপ্রেস রাজশাহী থেকে রাত ১১:২০টায় ছাড়ে। যেহেতু ট্রেনটি রাতে চলে, তাই স্টেশনে যাওয়ার পরিবহন আগে ঠিক করে রাখা সুবিধাজনক।

ধূমকেতু এক্সপ্রেস ঢাকায় কয়টায় পৌঁছায়?

৭৭০ নম্বর ট্রেনটি রাজশাহী থেকে রাত ১১:২০টায় ছেড়ে পরদিন ভোর ৪:৪০টায় ঢাকায় পৌঁছানোর কথা।

ধূমকেতু এক্সপ্রেসের বন্ধের দিন কবে?

৭৬৯ নম্বর ট্রেনের সাপ্তাহিক বন্ধ বৃহস্পতিবার। অন্যদিকে, ৭৭০ নম্বর ট্রেনের সাপ্তাহিক বন্ধ বুধবার। তাই দুই দিকের বন্ধের দিন আলাদা।

ঢাকা–রাজশাহী রুটে ভাড়া কত?

প্রদত্ত ২০২৬ সালের ভাড়া অনুযায়ী শোভন চেয়ার ৪০৫ টাকা, স্নিগ্ধা ৭৭১ টাকা এবং এসি সিট ৯২৬ টাকা। তবে ২০২৭ সালের বুকিংয়ের আগে অনলাইন সিস্টেমে চূড়ান্ত ভাড়া দেখুন।

যাত্রার আগে শেষ যাচাই

ধূমকেতু এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া ২০২৭ পরিকল্পনা করার সময় শুধু ছাড়ার সময় দেখলেই হবে না। বরং ট্রেন নম্বর, যাত্রার দিক, সাপ্তাহিক বন্ধ, আসন শ্রেণি এবং অনলাইন চার্জ—এই পাঁচটি বিষয় একসঙ্গে মিলিয়ে নিন। এতে ভুল তারিখ বা ভুল দিকের টিকিট কাটার ঝুঁকি কমে।

২০২৬ সালের প্রদত্ত রুট-তথ্য ২০২৭ সালের পরিকল্পনার ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে, তবে সময় ও ভাড়া পরিবর্তিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই টিকিট কাটার ঠিক আগে বাংলাদেশ রেলওয়ের ই-টিকিটিং সিস্টেমে সর্বশেষ তথ্য যাচাই করে তারপর যাত্রা নিশ্চিত করুন।

Nustrat Jahan
আমি রেলওয়ে সেবা ওয়েব সাইটে পরিচালনা করে থাকি। আমার উদ্দেশ্য সাধারণ মানুষকে সঠিক তথ্য প্রদান করা রেলে সম্পর্কে।
Sharing Is Caring:

Leave a Comment