সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া ২০২৬ জানতে হলে যাত্রার দিক, ট্রেন নম্বর এবং সাপ্তাহিক বন্ধের দিন—এই তিনটি তথ্য আগে মিলিয়ে নিন। সীমান্ত এক্সপ্রেস খুলনা–চিলাহাটি রুটে চলাচল করে। খুলনা থেকে ট্রেন নম্বর ৭৪৭ এবং চিলাহাটি থেকে ৭৪৮। নির্ধারিত সূচিতে খুলনা থেকে রাত ৯টা ১৫ মিনিটে ছেড়ে চিলাহাটি সকাল ৬টা ৪৫ মিনিটে পৌঁছানোর তথ্য রয়েছে। তবে ফিরতি রুটের কিছু সময়ে অসামঞ্জস্য দেখা যায়। তাই যাত্রার আগে স্টেশন বা বাংলাদেশ রেলওয়ের অনলাইন সিস্টেমে যাচাই করা নিরাপদ।
- রুট: খুলনা জংশন থেকে চিলাহাটি এবং চিলাহাটি থেকে খুলনা
- ট্রেন নম্বর: খুলনা থেকে ৭৪৭, চিলাহাটি থেকে ৭৪৮
- সাপ্তাহিক বন্ধ: সোমবার
- বর্তমান অবস্থান জানতে SMS: TR 747 অথবা TR 748 পাঠাতে হবে ১৬৩১৮ নম্বরে
সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী ২০২৬
সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী ২০২৬ অনুযায়ী খুলনা জংশন থেকে ট্রেন নম্বর ৭৪৭ রাত ৯টা ১৫ মিনিটে চিলাহাটির উদ্দেশ্যে ছাড়ে। এরপর পথে নির্ধারিত স্টেশনে বিরতি দিয়ে ট্রেনটি সকাল ৬টা ৪৫ মিনিটে চিলাহাটি পৌঁছানোর কথা। তাই যাত্রীরা স্টেশনে পৌঁছানোর জন্য অন্তত ২০ থেকে ৩০ মিনিট অতিরিক্ত সময় হাতে রাখলে শেষ মুহূর্তের ভোগান্তি কমে।
খুলনা থেকে চিলাহাটি: ট্রেন ৭৪৭
| স্টেশনের নাম | সময়সূচী |
|---|---|
| খুলনা জংশন | রাত ৯টা ১৫ মিনিট |
| দৌলতপুর | রাত ৯টা ২৭ মিনিট |
| নোয়াপাড়া | রাত ৯টা ৫২ মিনিট |
| যশোর | রাত ১০টা ২৩ মিনিট |
| মোবারকগঞ্জ | রাত ১০টা ৫৪ মিনিট |
| কোটচাঁদপুর | রাত ১১টা ০৮ মিনিট |
| দর্শনা হল্ট | রাত ১১টা ৩৫ মিনিট |
| চুয়াডাঙ্গা | রাত ১১টা ৫৭ মিনিট |
| আলমডাঙ্গা | রাত ১২টা ১৬ মিনিট |
| পোড়াদহ | রাত ১২টা ৩৪ মিনিট |
| ভেড়ামারা | রাত ১২টা ৫৪ মিনিট |
| ঈশ্বরদী | রাত ১টা ২০ মিনিট |
| নাটোর | রাত ২টা ০৭ মিনিট |
| সান্তাহার | ভোর ৩টা ০৫ মিনিট |
| আক্কেলপুর | ভোর ৩টা ৩০ মিনিট |
| জয়পুরহাট | ভোর ৩টা ৪৬ মিনিট |
| বিরামপুর | ভোর ৪টা ১৭ মিনিট |
| ফুলবাড়ী | ভোর ৪টা ৩০ মিনিট |
| পার্বতীপুর | ভোর ৪টা ৫০ মিনিট |
| সৈয়দপুর | সকাল ৫টা ১৭ মিনিট |
| নীলফামারী | সকাল ৫টা ৪১ মিনিট |
| ডোমার | সকাল ৬টা ০১ মিনিট |
| চিলাহাটি | সকাল ৬টা ৪৫ মিনিট |
খুলনা থেকে যাত্রার ক্ষেত্রে রাত ৯টা ১৫ মিনিটকে শুধু আনুমানিক সময় ধরে স্টেশনে যাওয়া ঠিক হবে না। বরং টিকিটে উল্লেখিত স্টেশন, ট্রেন নম্বর এবং প্ল্যাটফর্মের তথ্যও মিলিয়ে নিন। বিশেষ করে নোয়াপাড়া, যশোর বা ঈশ্বরদী থেকে উঠলে নির্ধারিত সময়ের অন্তত ১৫ মিনিট আগে উপস্থিত থাকা ভালো।
চিলাহাটি থেকে খুলনা: ট্রেন ৭৪৮
চিলাহাটি থেকে খুলনার দিকে সীমান্ত এক্সপ্রেসের ট্রেন নম্বর ৭৪৮। দেওয়া স্টেশনভিত্তিক সূচিতে চিলাহাটি জংশন থেকে সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে ছাড়ার তথ্য রয়েছে। তবে একই তথ্যসেটে খুলনা পৌঁছানোর সময় ভোর ৪টা ১০ মিনিট এবং সকাল ৬টা ৪৫ মিনিট—দুই রকমভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। তাই ফিরতি যাত্রার আগে বাংলাদেশ রেলওয়ের কাছ থেকে সময়টি নিশ্চিত করা জরুরি।
| স্টেশনের নাম | উল্লেখিত সময় |
|---|---|
| চিলাহাটি জংশন | সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিট |
| ডোমার | সন্ধ্যা ৬টা ৪৮ মিনিট |
| নীলফামারী | সন্ধ্যা ৭টা ১০ মিনিট |
| সৈয়দপুর | সন্ধ্যা ৭টা ২৯ মিনিট |
| পার্বতীপুর | সন্ধ্যা ৭টা ৫০ মিনিট |
| ফুলবাড়ী | রাত ৮টা ৩০ মিনিট |
| বিরামপুর | রাত ৮টা ৪২ মিনিট |
| জয়পুরহাট | রাত ৯টা ১৫ মিনিট |
| আক্কেলপুর | রাত ৯টা ৩১ মিনিট |
| সান্তাহার | রাত ১০টা ০০ মিনিট |
| নাটোর | রাত ১০টা ৪০ মিনিট |
| ঈশ্বরদী | রাত ১১টা ২০ মিনিট |
| ভেড়ামারা | রাত ১২টা ০০ মিনিট |
| পোড়াদহ | রাত ১২টা ২১ মিনিট |
| আলমডাঙ্গা | রাত ১২টা ৪০ মিনিট |
| চুয়াডাঙ্গা | রাত ১টা ০০ মিনিট |
| দর্শনা হল্ট | রাত ১টা ২৪ মিনিট |
| কোটচাঁদপুর | রাত ১টা ৫০ মিনিট |
| মোবারকগঞ্জ | রাত ২টা ০৫ মিনিট |
| যশোর | রাত ২টা ৪১ মিনিট |
| নোয়াপাড়া | ভোর ৩টা ১৩ মিনিট |
| দৌলতপুর | ভোর ৩টা ৪১ মিনিট |
| খুলনা জংশন | ভোর ৪টা ১০ মিনিট |
স্টেশনভিত্তিক তালিকায় ২৩টি বিরতির তথ্য রয়েছে। তবে চিলাহাটি থেকে খুলনা যাত্রার মোট সময় ও শেষ গন্তব্যে পৌঁছানোর সময়ে অসঙ্গতি থাকায় তালিকাটি প্রকাশের আগে বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ই-টিকিট সেবা অথবা স্টেশন কাউন্টার থেকে যাচাই করুন।
সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনের ভাড়া ২০২৬
সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনের ভাড়া ২০২৬ আসনশ্রেণি অনুযায়ী আলাদা। দেওয়া তথ্য অনুসারে শোভন চেয়ারের ভাড়া ৫৭৫ টাকা। এছাড়াও স্নিগ্ধার ভাড়া ১,১০৪ টাকা, প্রথম বার্থ ১,৩২৩ টাকা এবং এসি বার্থ ১,৯৭৮ টাকা। বুকিংয়ের সময় সার্ভিস চার্জ বা অতিরিক্ত প্রযোজ্য ফি আলাদা দেখাতে পারে।
| আসনশ্রেণি | উল্লেখিত ভাড়া |
|---|---|
| শোভন চেয়ার | ৫৭৫ টাকা |
| স্নিগ্ধা | ১,১০৪ টাকা |
| প্রথম বার্থ | ১,৩২৩ টাকা |
| এসি বার্থ | ১,৯৭৮ টাকা |
ভাড়া বাংলাদেশ রেলওয়ে নির্ধারণ করে। তাই কাউন্টার বা অনলাইন পেমেন্টের সময় প্রদর্শিত সরকারি মূল্য মিলিয়ে নিন। একই আসনশ্রেণির ভাড়া পরিবর্তন হতে পারে। অন্যদিকে অনলাইন সেবায় অতিরিক্ত সেবামূল্য যুক্ত হতে পারে। সুতরাং চূড়ান্ত অর্থ দেওয়ার আগে মোট বিলটি পড়ে দেখা বুদ্ধিমানের কাজ।
কোন আসনশ্রেণি কার জন্য
- শোভন চেয়ার: কম খরচে দীর্ঘ দূরত্বে ভ্রমণ করতে চাইলে এটি তুলনামূলক সাশ্রয়ী বিকল্প।
- স্নিগ্ধা: আসনের আরামকে অগ্রাধিকার দিলে এই শ্রেণি বিবেচনা করা যায়।
- প্রথম বার্থ: রাতের যাত্রায় শোয়ার সুবিধা দরকার হলে উপযোগী হতে পারে।
- এসি বার্থ: বেশি আরাম এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ চাইলে এই শ্রেণি বেছে নেওয়া যায়।
সীমান্ত এক্সপ্রেসের বন্ধের দিন
সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনের সাপ্তাহিক বন্ধের দিন সোমবার। অর্থাৎ প্রতি সপ্তাহের সোমবার ট্রেনটি চলাচল করে না। তবে সোমবার ছাড়া সপ্তাহের অন্যান্য দিন ট্রেন চলার কথা থাকলেও রক্ষণাবেক্ষণ, বিশেষ নির্দেশনা বা পরিচালনাগত কারণে সাময়িক পরিবর্তন হতে পারে।
ধরা যাক, আপনার যাত্রার তারিখ সোমবার পড়েছে। সেক্ষেত্রে একই দিনে স্টেশনে গিয়ে ট্রেন পাওয়ার আশা না করে আগে বিকল্প দিন নির্বাচন করুন। পাশাপাশি টিকিট কেনার সময়ও ক্যালেন্ডারে তারিখ মিলিয়ে নিন। কারণ যাত্রার তারিখ ভুল হলে পরিকল্পনা বদলাতে হতে পারে।
ট্রেনের বর্তমান অবস্থান জানবেন কীভাবে
সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনের বর্তমান অবস্থান SMS-এর মাধ্যমে জানা যায়। মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে ট্রেন নম্বরসহ নির্ধারিত ফরম্যাট লিখে ১৬৩১৮ নম্বরে পাঠাতে হবে। এরপর ফিরতি মেসেজে ট্রেনের চলমান অবস্থান বা সংশ্লিষ্ট তথ্য পাওয়া যেতে পারে।
- প্রথমে মোবাইলের মেসেজ অপশন খুলুন।
- খুলনা থেকে চলা ট্রেনের জন্য TR 747 লিখুন।
- অন্যদিকে চিলাহাটি থেকে চলা ট্রেনের জন্য TR 748 লিখুন।
- বার্তাটি ১৬৩১৮ নম্বরে পাঠান।
- সবশেষে ফিরতি SMS-এ পাওয়া তথ্য দেখে ট্রেনের অবস্থান মিলিয়ে নিন।
SMS তথ্য সাধারণত যাত্রাপথের অবস্থান বুঝতে সাহায্য করে। তবে তা প্ল্যাটফর্মে পৌঁছানোর নিশ্চয়তা নয়। তাই ট্রেনের অবস্থান দেখালেই শেষ মুহূর্তে স্টেশনে যাওয়া ঠিক হবে না। বরং রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের ঘোষণা ও স্টেশন কাউন্টারের তথ্যও প্রয়োজনে মিলিয়ে নিন।
টিকিট কাটার নিয়ম
সীমান্ত এক্সপ্রেসের টিকিট স্টেশন কাউন্টার থেকে অথবা অনলাইনে কেনা যায়। কাউন্টার থেকে টিকিট নিতে হলে যাত্রার তারিখ, গন্তব্য, যাত্রীর সংখ্যা এবং আসনশ্রেণি আগে ঠিক করে রাখুন। ফলে কাউন্টারে সময় কম লাগে এবং ভুলের সম্ভাবনাও কমে।
স্টেশন কাউন্টার থেকে টিকিট
- প্রথমে চিলাহাটি, খুলনা বা সংশ্লিষ্ট স্টেশনের টিকিট কাউন্টারে যান।
- কোথা থেকে কোথায় যাবেন এবং কোন তারিখে যাবেন তা জানান।
- এরপর প্রয়োজনীয় টিকিটের সংখ্যা ও আসনশ্রেণি বলুন।
- কাউন্টার থেকে দেওয়া ভাড়া ও টিকিটের তথ্য যাচাই করুন।
- সবশেষে টিকিটে ট্রেন নম্বর, তারিখ, আসন এবং যাত্রার স্টেশন মিলিয়ে নিন।
অনলাইনে টিকিট কেনা
অনলাইনে টিকিট কাটার জন্য বাংলাদেশ রেলওয়ের ই-টিকিট প্ল্যাটফর্মে প্রবেশ করুন। সেখানে লগইন করে যাত্রার তারিখ, প্রস্থান স্টেশন, গন্তব্য এবং যাত্রীর সংখ্যা নির্বাচন করুন। এরপর পাওয়া ট্রেন ও আসনশ্রেণি দেখে পেমেন্ট সম্পন্ন করুন।
- প্রথমে যাত্রার তারিখ সঠিকভাবে নির্বাচন করুন।
- এরপর খুলনা জংশন বা চিলাহাটি স্টেশন ঠিকভাবে বেছে নিন।
- ট্রেন নম্বর ৭৪৭ অথবা ৭৪৮ মিলিয়ে নিন।
- আসন নির্বাচন করার পর মোট মূল্য পরীক্ষা করুন।
- পেমেন্টের পর ই-টিকিট সংরক্ষণ করুন।
প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী বিকাশ বা নগদের মাধ্যমে পেমেন্টের সুযোগ থাকতে পারে। তবে পেমেন্ট পদ্ধতি ও আসনপ্রাপ্যতা সময়ের সঙ্গে বদলাতে পারে। তাই অনলাইন বুকিং সম্পন্ন হওয়ার পর টিকিটের নাম, তারিখ, আসন এবং রেফারেন্স নম্বর সংরক্ষণ করে রাখুন।
যাত্রার আগে যে ভুলগুলো এড়াবেন
সময়সূচি পড়ে শুধু ছাড়ার সময় মনে রাখা সাধারণ ভুল। অথচ যাত্রীর জন্য পৌঁছানোর সময়, বন্ধের দিন, ট্রেন নম্বর এবং ওঠার স্টেশনও সমান গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে একই রুটে একাধিক স্টেশন থাকায় নামের সামান্য ভুলও টিকিট ব্যবহারে সমস্যা তৈরি করতে পারে।
- সোমবার টিকিট বুক করার আগে সাপ্তাহিক বন্ধ যাচাই না করা
- ৭৪৭ ও ৭৪৮ ট্রেন নম্বর গুলিয়ে ফেলা
- টিকিটের স্টেশন না মিলিয়ে অন্য স্টেশনে চলে যাওয়া
- ট্রেন ছাড়ার ঠিক মুহূর্তে স্টেশনে পৌঁছানো
- অনলাইন পেমেন্টের পর টিকিটের কপি সংরক্ষণ না করা
- ফিরতি রুটের সময়ের অসঙ্গতি যাচাই না করে যাত্রা করা
বিশেষজ্ঞের পরামর্শ: দীর্ঘ রাতের যাত্রায় সময়ের পাশাপাশি আসনশ্রেণি এবং স্টেশনে পৌঁছানোর ব্যবধান পরিকল্পনা করুন। তাই খুলনা থেকে রাত ৯টা ১৫ মিনিটের ট্রেন ধরতে হলে ব্যস্ততার সময় পার হয়ে আগেই স্টেশনে পৌঁছানো বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত।
সীমান্ত এক্সপ্রেস নিয়ে সাধারণ প্রশ্ন
সীমান্ত এক্সপ্রেস কোন রুটে চলাচল করে?
সীমান্ত এক্সপ্রেস খুলনা জংশন থেকে চিলাহাটি এবং চিলাহাটি থেকে খুলনা রুটে চলাচল করে। ট্রেন নম্বর খুলনা থেকে ৭৪৭ এবং চিলাহাটি থেকে ৭৪৮।
সীমান্ত এক্সপ্রেসের অফ ডে কোন দিন?
সীমান্ত এক্সপ্রেসের অফ ডে সোমবার। অর্থাৎ প্রতি সপ্তাহের সোমবার ট্রেনটি বন্ধ থাকে। তবে সোমবার ছাড়া অন্যান্য দিনে চলাচলের কথা থাকলেও যাত্রার আগে সূচি যাচাই করা ভালো।
খুলনা থেকে সীমান্ত এক্সপ্রেস কখন ছাড়ে?
খুলনা জংশন থেকে ট্রেন নম্বর ৭৪৭ রাত ৯টা ১৫ মিনিটে ছাড়ার তথ্য রয়েছে। তাই স্টেশনে অন্তত ২০ থেকে ৩০ মিনিট আগে পৌঁছালে বোর্ডিং সহজ হয়।
সীমান্ত এক্সপ্রেসের বর্তমান অবস্থান কীভাবে জানব?
মেসেজ অপশনে TR 747 বা TR 748 লিখে ১৬৩১৮ নম্বরে পাঠান। এরপর ফিরতি SMS-এ ট্রেনের অবস্থান-সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া যেতে পারে।
সীমান্ত এক্সপ্রেসের শোভন চেয়ারের ভাড়া কত?
দেওয়া ভাড়ার তালিকায় শোভন চেয়ারের মূল্য ৫৭৫ টাকা। তবে অনলাইন সেবার অতিরিক্ত ফি বা পরিবর্তিত সরকারি ভাড়া থাকলে চূড়ান্ত মূল্য আলাদা হতে পারে।
সীমান্ত এক্সপ্রেসের টিকিট কোথা থেকে কেনা যায়?
স্টেশন কাউন্টার থেকে সরাসরি টিকিট নেওয়া যায়। পাশাপাশি বাংলাদেশ রেলওয়ের ই-টিকিট প্ল্যাটফর্মে যাত্রার তারিখ, রুট ও আসন নির্বাচন করে অনলাইনে বুকিং করা যায়।
চিলাহাটি থেকে খুলনা ট্রেনের সময় নিয়ে কেন যাচাই দরকার?
প্রদত্ত স্টেশন তালিকায় খুলনা পৌঁছানোর সময় ভোর ৪টা ১০ মিনিট লেখা হলেও অন্য অংশে সকাল ৬টা ৪৫ মিনিট উল্লেখ আছে। তাই যাত্রার আগে অফিসিয়াল সময় নিশ্চিত করা জরুরি।
যাত্রার আগে শেষ যাচাই
সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া ২০২৬ অনুযায়ী রুট, ট্রেন নম্বর, আসনশ্রেণি এবং সোমবারের বন্ধের দিন আগে মিলিয়ে নিন। খুলনা থেকে চিলাহাটি যাত্রার তথ্য তুলনামূলকভাবে স্পষ্ট হলেও ফিরতি সময়ে অসঙ্গতি রয়েছে। তাই টিকিট কেনার পরও অফিসিয়াল রেলওয়ে তথ্য বা স্টেশন কাউন্টার থেকে শেষবার যাচাই করে যাত্রা করুন।
🔄 2026 সালের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী আপডেট করা হয়েছে (সর্বশেষ তথ্য)।